ESR কি?
ESR এর পূর্ণ নাম হলো Erythrocyte Sedimentation Rate।
বাংলায়: রক্তের লোহিত কণিকা বসার গতি।
সহজভাবে ESR কি?
রক্ত পরীক্ষায় দেখা হয়—
এক ঘন্টায় লাল রক্ত কণিকা (RBC) কত দ্রুত নিচে বসে যায়।
যত দ্রুত বসে = ESR তত বেশি।
ESR বেশি হলে কী বোঝায়?
ESR নিজে কোনো রোগ নয়, বরং শরীরে ইনফ্লামেশন (প্রদাহ) বা অসুস্থতার ইঙ্গিত দেয়।
সাধারণ কারণ:
-
শরীরে ইনফেকশন (ব্যাকটেরিয়া/ভাইরাস)
-
জয়েন্টের ব্যথা বা বাত
-
টিবি (ক্ষয়রোগ)
-
অ্যানিমিয়া (রক্তস্বল্পতা)
-
দীর্ঘদিনের সাইনাস/ক্রনিক রোগ
-
অটোইমিউন রোগ
-
কখনো থাইরয়েড সমস্যা
(আপনার আগের ইতিহাসে সাইনাস, ব্যথা, দুর্বলতা থাকলে ESR একটু বেশি থাকাও দেখা যায়)
ESR স্বাভাবিক মান (প্রায়)
-
পুরুষ: ০–১৫ mm/hr
-
মহিলা: ০–২০ mm/hr
-
শিশু: ০–১০ mm/hr
ESR কম হলে?
সাধারণত সমস্যা নয়, বরং স্বাভাবিক ধরা হয়।
গুরুত্বপূর্ণ বিষয়
-
ESR বেশি মানেই বড় রোগ নয়
-
রিপোর্ট সবসময় লক্ষণ + অন্যান্য টেস্ট (CBC, CRP) দেখে বিচার করা হয়
-
জ্বর, শরীর ব্যথা, দুর্বলতা থাকলে ESR বাড়তে পারে
0 মন্তব্যসমূহ