অর্গানন অব মেডিসিন (তৃতীয় বর্ষ)
দ্বাদশ অধ্যায়
স্বাস্থ্যোন্নতি সহায়ক পথ্য, ব্যায়াম, পরিবেশ ২৫৯- ২৬৩
অনুচ্ছেদ নং- ২৫৯
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ক্ষুদ্র মাত্রার প্রয়োজনীয়তা এবং উপযোগীতার কথা বিবেচনা করলেই আমরা সহজে বুঝতে পারি। চিকিৎসাকালে রোগীর পানাহার হতে বা তার অভ্যাসের মধ্যে যে দ্রব্যের কিছুমাত্র ঔষধ শক্তি আছে তা অবশ্যই বর্জন করতে হবে। নতুবা সে ক্ষুদ্র মাত্রাটির ক্রিয়া দ্বারা অন্যবিধ ঔষধজ প্রতিক্রিয়া অবিভূত বিনষ্ট ও বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে।
অনুচ্ছেদ নং- ২৬০
এই জন্য পুরাতন রোগীদের চিকিৎসার সময় এরূপ আরোগ্যের অন্তরায়সমূহ সতর্কভাবে অনুসন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন। কারণ সেসব অনিষ্টকর প্রভাব এবং রোগ সৃষ্টিকারী ভুল পানাহারের দ্বারা সাধারনতঃ রোগের বৃদ্ধি ঘটায় অথচ প্রায় সময় সেদিকে কোন নজরই দেওয়া হয় না।
অনুচ্ছেদ নং- ২৬১
চিররোগীকে চিকিৎসা করার সময় আরোগ্য পথের যেসব বাধাবিঘ্ন বিদূরিত করা ও প্রয়োজন মত তার বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ আরোগ্যের অনুকুল আহার বিহার ও পরিবেশ সৃষ্টি করা একান্ত অপরিহার্য। যেমন নৈতিক ও বুদ্ধি বৃত্তির, নির্দোষ আমোদ-প্রমোদ, প্রায় সকল ঋতুতেই উন্মুক্ত বায়ুতে শারীরিক ব্যায়াম, প্রত্যহ ভ্রমন, সামান্য দৈহিক পরিশ্রম, যথার্থ বলকারক ও ঔষধ গুণরহিত খাদ্য পানীয় প্রভৃতি রোগীর জন্য একান্ত প্রয়োজন।
অনুচ্ছেদ নং- ২৬২
অপরদিকে, মানসিক বিকৃতি ব্যতিত অন্যান্য অচির রোগের ক্ষেত্রে জাগ্রত জীবন-রক্ষক বৃত্তির (awakened life Preserving faculty) সূক্ষ্ম, নির্ভুল অন্তর্নিহিত চেতনা সুস্পষ্টরূপে ও সঠিকভাবে উপযুক্ত খাদ্য ও পানীয় দ্বারা নির্ধারিত হয়ে থাকে। কাজেই কোন খাবার খেতে না দিয়ে রোগীর স্বাভাবিক ইচ্ছাকে দমন করা অথবা কোন অনিষ্টকর জিনিষ খেতে রোগীকে প্রলুব্ধ না করার জন্য চিকিৎসক শুধু রোগীর বন্ধু-বান্ধব ও শুশ্রুষাকারীকে উপদেশ দিবেন।
অনুচ্ছেদ নং- ২৬৩
বিশেষ করে সাময়িক আরামপ্রদ খাদ্য-পানীয়ের জন্যই অচির রোগীরা লালায়িত হয়ে থাকেন। সেগুলো বাস্তবিক পক্ষে ঔষধ জাতীয় নয় বরং তাতে কেবল রোগীর এক ধরনের অভাবই পরিপূর্ণ হয়ে থাকে। পরিমিতভাবে এই আকাংখা পরিপূর্ণ হবার ফলে রোগসমূহ নির্মূল আরোগ্য করার পথে সামান্য প্রতিবন্ধকতা এসে উপস্থিত হলে তা সদৃশ নীতিতেই সুনির্বাচিত ঔষধ দ্বারা প্রতিকার ও পরাভূত করা যায়। ইহার দ্বারা এবং সেরূপ তীব্র আকাংখা পরিতৃপ্ত হবার ফলে জীবনীশক্তিও রোগমুক্ত হয়। অনুরূপভাবে অচিররোগের ক্ষেত্রে কক্ষের তাপমাত্রা ও শয্যা-আবরণীর উষ্ণতা বা শীতলতা নিশ্চিতভাবেই রোগীর ইচ্ছানুযায়ী ব্যবস্থা করতে হবে। অত্যধিক মানসিক শ্রম ও উত্তেজক আবেগ প্রবণতা (exiting emotions) হতে রোগীকে মুক্ত রাখতে হবে।
১। প্রশ্ন: হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ঔষধি গুণবিশিষ্ট খাদ্য ও পানীয় বর্জনীয় কেন? ০৮, ১০
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় ঔষধি গুণবিশিষ্ট খাদ্য ও পানীয় বর্জনীয়:
ডাঃ স্যামুয়েল হ্যানিম্যান "অর্গানন অব মেডিসিন” গ্রন্থের ২৬০-২৬৩ নং অনুচ্ছেদে হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় খাদ্য ও পানীয় বর্জনীয় সম্বন্ধে বিস্তারিত বর্ণনা দিয়েছেন।
(i) এই জন্য পুরাতন রোগীদের চিকিৎসার সময় এরূপ আরোগ্যের অন্তরায়সমূহ সতর্কভাবে অনুসন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন। কারণ সেসব অনিষ্টকর প্রভাব এবং রোগ সৃষ্টিকারী ভুল পানাহারের দ্বারা সাধারনতঃ রোগের বৃদ্ধি ঘটায়।
(ii) চিররোগীকে চিকিৎসা করার সময় আরোগ্য পথের যেসব বাধাবিঘ্ন বিদূরিত করা ও প্রয়োজন মত তার বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ আরোগ্যের অনুকুল আহার বিহার ও পরিবেশ সৃষ্টিকরা একান্ত অপরিহার্য। যেমন- দৈহিক পরিশ্রম যথার্থ বলকারক ও ঔষধ গুণরহিত খাদ্য পানীয় প্রভৃতি রোগীর জন্য একান্ত প্রয়োজন।
(iii) অপর দিকে মানসিক বিকৃতি ব্যতিত অন্যান্য অচির রোগের ক্ষেত্রে জাগ্রত জীবনরক্ষক বৃত্তির সূক্ষ্ম নির্ভুল অন্তর্নিহিত চেতনা সুস্পষ্টরূপে এবং সঠিকভাবে উপযুক্ত খাদ্য ও পানীয় দ্বারা নির্ধারিত হয়ে থাকে। কাজেই কোন খাবার খেতে না দিয়ে রোগীর স্বাভাবিক ইচ্ছাকে দমন করা অথবা কোন অনিষ্টকর জিনিষ খেতে রোগীকে প্রলুদ্ধ না করার জন্য চিকিৎসক রোগীর বন্ধু বান্ধব ও শুশ্রুষাকারীকে উপদেশ দিবেন।
(iv) বিশেষ করে ক্ষণিকের আরামপ্রদ খাদ্য পানীয়ের জন্যই অচির রোগীরা লালায়িত হয়ে থাকেন। সেগুলো বাস্তবিক পক্ষে ঔষধ জাতীয় নয় বরং তাতে কেবল রোগীর এক ধরনের অভাবই পরিপূর্ণ হয়ে থাকে।
অর্গানন অব মেডিসিন (তৃতীয় বর্ষ)
১৫৬
(v) পরিমিতভাবে এই আকাংখা পরিপূর্ণ হবার ফলে রোগ সমূহ নির্মূল আরোগ্য করার পথে সামান্য প্রতিবন্ধকতা এসে উপস্থিত হলে তা সদৃশ নীতিতেই সুনিশ্চিতভাবেই রোগীর ইচ্ছানুযায়ী ব্যবস্থা করতে হবে।'
(vi) অত্যধিক মানসিক শ্রম ও উত্তেজক আবেগ প্রবণতা হতে রোগীকে মুক্ত রাখতে হবে।
২। প্রশ্নঃ ঔষধ ও পথ্যের মধ্যে পার্থক্য লিখ। ০৯, ১০, ১১
ঔষধ ও পথ্যের মধ্যে পার্থক্য:
ঔষধ
১। বিজ্ঞান সম্মত উপায়ে ফার্মাকোপিয়ার নির্দিষ্ট ফর্মুলা অনুযায়ী ভেষজ পদার্থ হতে প্রস্তুতকৃত পদার্থ যা চিকিৎসকের ব্যবস্থাপত্র অনুসারে আভ্যন্তরিন বা বাহ্যিক প্রয়োগে রোগারোগ্য এবং রোগ প্রতিরোধ করতে সক্ষম হয়, তাকে ঔষধ বলে।
২। ইহার রোগ উৎপাদন ও রোগ আরোগ্যের উভয় ক্ষমতা আছে।
৩। ইহা সুস্থ মানব শরীরে পরীক্ষিত।
৪। ইহাকে জীবনীশক্তি বাধা প্রদান করে না এবং রোগ আরোগ্যের জন্য সাহায্য প্রার্থনা করে।
পথ্য
১। পথ্য রোগ আরোগ্য সহায়ক এবং যা গ্রহনে ব্যক্তি সুস্থ ও সবল এবং রোগ মুক্ত থাকে।
২। ইহার রোগ উৎপাদন ও রোগ আরোগ্যের উভয় ক্ষমতা নাই।
৩। ইহা সুস্থ মানব শরীরে পরীক্ষিত নয় কিন্তু পুষ্টিগত দিক থেকে মাননিয়ন্ত্রিত
৪। ইহা রোগ জীবনীশক্তিকে করে। আরোগ্যে সহায়তা
৩। প্রশ্নঃ চিররোগের পথ্য ও পরিচর্যা কিরূপ হওয়া উচিৎ? ০৮, ১৩
চিররোগের পথ্য ও পরিচর্যা কিরূপ হওয়া উচিৎ:
মহাত্মা ডাঃ হ্যানিম্যান হোমিওপ্যাথির চিকিৎসা আইন গ্রন্থ "অর্গানন অব মেডিসিন" এর ২৫৯-২৬৩ নং অনুচ্ছেদে চিররোগের চিররোগে পথ্য ও পরিচর্যা সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।
(i) চিকিৎসাকালে রোগীর পানাহার হতে বা তার অভ্যাসের মধ্যে যে দ্রব্যের কিছুমাত্র ঔষধ শক্তি আছে তা অবশ্যই বর্জন করতে হবে।
নতুবা সে ক্ষুদ্র মাত্রাটির ক্রিয়া দ্বারা অন্যবিধ ঔষধজ প্রতিক্রিয়া অবিভূত, বিনষ্ট ও বাধাপ্রাপ্ত হতে পারে।
(ii) পুরাতন রোগীদের চিকিৎসার সময় রোগ আরোগ্যের অন্তরায়সমূহ সতর্কভাবে অনুসন্ধান করা একান্ত প্রয়োজন।
(iii) সেসব অনিষ্টকর প্রভাব এবং রোগ সৃষ্টিকারী পানাহারের দ্বারা সাধারণতঃ রোগের বৃদ্ধি ঘটায়, সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।
(iv) চির রোগীকে চিকিৎসা করার সময় আরোগ্য পথের যে সব বাধাবিঘ্ন বিদূরিত করা ও প্রয়োজন মত তার বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ আরোগ্যের অনুকুল আহার বিহার ও পরিবেশ সৃষ্টি করা একান্ত অপরিহার্য।
(v) নৈতিক ও বুদ্ধি বৃত্তির নির্দোষ আমোদে-প্রমোদ, প্রায় সকল ঋতুতেই উন্মুক্ত বায়ুতে শারীরিক ব্যায়াম, প্রত্যহ ভ্রমন, সামান্য দৈহিক পরিশ্রম, যথার্থ বলকারক ও ঔষধ গুণরহিত খাদ্য পানীয় প্রভৃতি রোগীর জন্য একান্ত প্রয়োজন।
৪। প্রশ্ন: চিররোগের পথ্যাপথ্য সম্বন্ধে ডাঃ হ্যানিম্যানের মন্তব্য বিশদভাবে বর্ণনা কর।
চিররোগের পথ্যাপথ্য সম্বন্ধে ডাঃ হ্যানিম্যানের মন্তব্যের বর্ণনা:
ডাঃ হ্যানিম্যানের মতে পুরাতন রোগীদের চিকিৎসার সময় রোগ আরোগ্যের অন্তরায়সমূহ সতর্কভাবে অনুসন্ধান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেসব ক্ষতিকর প্রভাব এবং রোগ সৃষ্টিকারী ভুল আহারের দ্বারা সাধারণতঃ রোগের বৃদ্ধি ঘটায় অথচ প্রায় সময় সেদিকে কোন নজরই দেয়া হয় না।
চিররোগীকে চিকিৎসা করার সময় আরোগ্য পথের যেসব বাধাবিঘ্ন বিদূরিত করা ও প্রয়োজন, মত তার বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ আরোগ্যের অনুকুল আহার বিহার ও পরিবেশ সৃষ্টি করা একান্ত অপরিহার্য। যেমন নৈতিক ও বুদ্ধি বৃত্তির, নির্দোষ আমোদ-প্রমোদ, প্রায় সকল ঋতুতেই উন্মুক্ত বায়ুতে শারীরিক ব্যায়াম, প্রত্যহ ভ্রমন সামান্য দৈহিক পরিশ্রম যথার্থ বলকারক ও ঔষধ গুণরহিত খাদ্য পানীয় প্রভৃতি রোগীর জন্য একান্ত প্রয়োজন।
৫। প্রশ্ন: অচির ও চির রোগীর জন্য কি কি পথ্যাপথ্য নির্বাচন করবে? অচির ও চির রোগীর জন্য নিম্নলিখিত পথ্যাপথ্য নির্বাচন করতে হবেঃ
বিশেষ করে সাময়িক আরামপ্রদ খাদ্য-পানীয়ের জন্যই অচির রোগীরা লালায়িত হয়ে থাকেন। সেগুলো বাস্তবিক পক্ষে ঔষধ জাতীয় নয় বরং তাতে কেবল রোগীর এক ধরনের অভাবই পরিপূর্ণ হয়ে থাকে। পরিমিতভাবে এই আকাংখা পরিপূর্ণ হবার ফলে রোগসমূহ নির্মূল আরোগ্য করার পথে সামান্য প্রতিবন্ধকতা এসে উপস্থিত হলে তা * সদৃশ নীতিতেই সুনির্বাচিত ঔষধ দ্বারা প্রতিকার ও পরাভূত করা যায়। ইহার দ্বারা এবং সেরূপ তীব্র আকাংখা পরিতৃপ্ত হবার ফলে জীবনীশক্তিও রোগমুক্ত হয়। অনুরূপভাবে অচিররোগের ক্ষেত্রে কক্ষের তাপমাত্রা ও শয্যা-আবরণীর উষ্ণতা বা শীতলতা নিশ্চিতভাবেই রোগীর ইচ্ছানুযায়ী ব্যবস্থা করতে হবে। অত্যধিক মানসিক শ্রম ও উত্তেজক আবেগ প্রবণতা হতে রোগীকে মুক্ত রাখতে হবে।
মানসিক বিকৃতি ব্যতিত অন্যান্য অচির রোগের ক্ষেত্রে জাগ্রত জীবন-রক্ষক বৃত্তির সূক্ষ্ম, নির্ভুল অন্তর্নিহিত চেতনা সুস্পষ্টরূপে ও সঠিকভাবে উপযুক্ত খাদ্য ও পানীয় দ্বারা নির্ধারিত হয়ে থাকে। কাজেই কোন খাবার খেতে না দিয়ে রোগীর স্বাভাবিক ইচ্ছাকে দমন করা অথবা কোন অনিষ্টকর জিনিষ খেতে রোগীকে প্রলুব্ধ না করার জন্য চিকিৎসক শুধু রোগীর বন্ধু-বান্ধব ও শুশ্রুষাকারীকে উপদেশ দিবেন।
ডাঃ হ্যানিম্যানের মতে পুরাতন রোগীদের চিকিৎসার সময় রোগ আরোগ্যের অন্তরায়সমূহ সতর্কভাবে অনুসন্ধান করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সেসব অনিষ্টকর প্রভাব এবং রোগ সৃষ্টিকারী ভুল পানাহারের দ্বারা সাধারণতঃ রোগের বৃদ্ধি ঘটায় অথচ প্রায় সময় সেদিকে কোন নজরই দেয়া হয় না।
চিররোগীকে চিকিৎসা করার সময় আরোগ্য পথের যেসব বাধাবিঘ্ন বিদূরিত করা ও প্রয়োজন মত তার বিপরীত অবস্থা অর্থাৎ আরোগ্যের অনুকুল আহার বিহার ও পরিবেশ সৃষ্টি করা একান্ত অপরিহার্য। যেমন নৈতিক ও বুদ্ধি বৃত্তির, নির্দোষ আমোদ-প্রমোদ প্রায় সকল ঋতুতেই উন্মুক্ত বায়ুতে শারীরিক ব্যায়াম, প্রত্যহ ভ্রমন, সামান্য দৈহিক পরিশ্রম যথার্থ বলকারক ও ঔষধ গুণরহিত খাদ্য পানীয় প্রভৃতি রোগীর জন্য একান্ত প্রয়োজন।
৬। প্রশ্ন: সিফিলিস ও সিফিলিটিক এর মধ্যে পার্থক্য দেখাও। ১৫
সিফিলিস ও সিফিলিটিক এর মধ্যে পার্থক্য:
সিফিলিস
১। ট্রিপোনিয়ামা প্যালিডাম নামক ব্যাকটেরিয়া পুরুষ বা মহিলার জননতন্ত্রে সংক্রমিত হয়ে সিফিলিস রোগ উৎপন্ন করে। ইহা দ্বারা জননতন্ত্রে ক্ষত ও পুঁজ উৎপত্তিসহ বিভিন্ন রোগ লক্ষণ প্রকাশিত হয়।
২। এটি একটি রোগ যা দেহে বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ প্রকাশ করে।
সিফিলিটিক
১। সিফিলিস রোগে আক্রান্ত হওয়া পরে বিসদৃশ চিকিৎসা পদ্ধতিতে চিকিৎসা করলে দেহে যে অবস্থা সৃষ্টি হয়, তাকে সিফিলিটিক বলে।
২। এটি একটি অবস্থা যা দেহে বিভিন্ন ধরনের রোগের সৃষ্টি করে।
0 মন্তব্যসমূহ