রোগের প্রাকৃতিক ইতিহাস - দ্বিতীয় বর্ষ - চতুর্থ অধ্যায়

 চতুর্থ অধ্যায়
রোগের প্রাকৃতিক ইতিহাস
Natural History Of Diseases




প্রশ্ন- রোগ বলিতে কি বুঝায়?
উত্তরঃ রোগের সংজ্ঞা- জীবনীশক্তির বিকৃত অবস্থাজনিত সৃষ্ট লক্ষণকেই রোগ
বলা হয়। প্রাকৃতিক রোগ শক্তি সূক্ষ্ম ও অজড়। এই অজড় রোগ শক্তির প্রভাবেই অজড় জীবনী শক্তি বিকৃতাবস্থা প্রাপ্ত হইয়া দেহের অঙ্গ প্রত্যঙ্গের মাধ্যমে লক্ষণসমষ্টির সাহায্যে বিশৃংখল অবস্থা প্রকাশ করে। যাহার ফলে মানবের দেহ ও মনের বিকৃত অবস্থা প্রাপ্ত হয়। এই সকল বিকৃত অনুভূতি, বিশৃংখল কার্যকলাপ অর্থাৎ জীবনী শক্তির বিকৃত অবস্থাজনিত যে সকল লক্ষণ মানবদেহে প্রকাশিত হয় ঐ লক্ষণসমষ্টিকেই হোমিওপ্যাথিতে রোগ বলা হয়। মোট কথা শারীরিক ও মানসিক সুস্থতার ব্যতিক্রম ঘটিলেই তাহাকে রোগ বলা হয়।


প্রশ্ন- রোগের প্রাকৃতিক ইতিহাস বর্ণনা কর।
উত্তর : রোগের প্রাকৃতিক ইতিহাস- রোগের প্রথম হইতে শেষ পর্যন্ত বিভিন্ন
প্রক্রিয়ার মাধ্যমে দেহের মধ্যে যে গতি পরিক্রমা চলে তাহাকে রোগের প্রাকৃতিক ইতিহাস বলে। রোগের সামগ্রিক প্রাকৃতিক ইতিহাসকে দুইটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যথা-
১) রোগ সূচনার পূর্ব পর্যায়।
২) রোগ সূচনার তাত্ত্বিক পর্যায়।
(১) রোগ সূচনার পূর্ব পর্যায়- (Pre-Pathogenesis phase) : রোগ সূচনার পূর্ববর্তী কালকে এই পর্যায় বলা হয়। রোগ সূচনার জন্য রোগের কারণ, পোষক এবং পরিবেশের দরকার- ইহাদের পারস্পরিক ক্রিয়ার ফলেই সম্মিলিতভাবে রোগের সৃষ্টি করে। রোগ সৃষ্টির জন্য এই তিনটি উপাদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইহাদিগকে ইকোলজিক্যাল ট্রায়াড বা এপিডেমিওলজিক্যাল ট্রায়াড বলা হয়।
(২) রোগ সূচনার তাত্ত্বিক পর্যায়- (Pathogenesis phase) : এই
পর্যায়ের প্রথম অবস্থায় রোগ লক্ষণ স্পষ্টভাবে প্রকাশ পায় না। কারন রোগ জীবাণু দেহে প্রবেশ করিবার পর দেহের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতাকে পরাভূত করিতে বেশ সময় লাগে। এই সময়কে ইনকিউবেশন পিরিয়ড বা সুপ্তিকাল বলে। সুপ্তিকাল বিভিন্ন রোগে বিভিন্ন রকম হইতে পারে। সুপ্তিকালের শেষ দিকে যখন স্বাস্থ্য ভারসাম্য হারাইয়া ফেলে তখনই ব্যাধির লক্ষণ ও ব্যাধি চিহ্ন দেখা দেয়। রোগ জীবাণু কর্তৃক দেহের রোগ প্রতিরোধক ক্ষমতা পরাভূত হইলে তখন দেহের মধ্যে রোগ লক্ষণ প্রকাশ পায়। সম্পূর্ণ আরোগ্য, দীর্ঘস্থায়িত্ব, পঙ্গুত্ব বা মুত্যুর মাধ্যমে ব্যাধি প্রক্রিয়ার পরিসমাপ্তি ঘটে।


প্রশ্ন-  রোগের কারণসমূহ কি কি?
উত্তর : রোগের কারণসমূহ- রোগের কারণ অনুসন্ধান করিলে দেখা যায় যে, কোন রোগ বংশানুক্রমিক, কোন রোগ নিজের অর্জিত এবং কোন রোগ সংক্রামক। রোগকে ২ ভাগে ভাগ করা যায়। অচির রোগ ও চিররোগ। অচির রোগের কারণ হইল অচির বা তরুণ রোগ বীজ। তরুণ রোগবীজ বা মায়াজমকে অনেকে জীবাণু অর্থে ব্যবহার করেন। মায়াজম শব্দের অর্থ পুতিবাষ্প, উপবিষ, কলুষ, ম্যালোরিয়া বিষ প্রভৃতি। চিররোগের প্রধান কারন তিনটি উপবিষ- সোরা, সিফিলিস ও সাইকোসিস। চিররোগ চির মায়াজম হইতে উৎপন্ন।


প্রশ্ন-  রোগ প্রতিরোধের স্তরসমূহ কি কি?
উত্তর : রোগ প্রতিরোধের স্তরসমূহ-রোগ প্রতিরোধের স্তরসমূহকে তিনটি পর্যায়ে ভাগ করা যায়। যথা-
(১) প্রাথমিক প্রতিরোধ (Primary Prevention)
(২)) সেকেন্ডারী প্রতিরোধ (Secondary Prevention)
(৩) টারসিয়ারী প্রতিরোধ (Tertiary Prevention)


প্রশ্ন-  রোগের প্রাথমিক প্রতিরোধ এর বর্ণনা দাও।
উত্তর : রোগের প্রাথমিক প্রতিরোধ- রোগ যাহাতে না হইতে পারে সেজন্য পূর্ব হইতে সাবধানতা অবলম্বন করাকে প্রাথমিক প্রতিরোধ বলে। প্রাথমিক প্রতিরোধের উদ্দেশ্য হইল রোগের সম্ভাবনাকে নির্মূল করা।
 ক) স্বাস্থ্যের উন্নয়ন : স্বাস্থ্যের উন্নয়নের জন্য নিম্নলিখিত পদক্ষেপ গ্রহণ করিতে হইবে।
i) সুষম খাদ্য গ্রহণ করতঃ দেহের পুষ্টি সাধন।
ii) বিশুদ্ধ পানি ব্যবহার।
iii) মলমূত্র অপসারণ ও আবর্জনা দূরীকরণের সুষ্ঠু ব্যবস্থা দ্বারা স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ সৃষ্টি করা।
iv) নিয়মিত ব্যায়াম।
v) মেডিকেল চেক আপ।
vi) যৌনবিজ্ঞান ও প্রজনন সম্পর্কে জ্ঞান।
vii) স্বাস্থ্য শিক্ষা।
viii) স্বাস্থ্য সম্মত জীবন যাপনে অভ্যস্ত হওয়া।
খ) সুনির্দিষ্ট প্রতিরক্ষাঃ
i) টিকা গ্রহণ।
ii) সুনির্দিষ্ট পুষ্টিকর সামগ্রী ব্যবহার।
iii) দুর্ঘটনা প্রতিরোধের জন্য প্রশিক্ষণ।
iv) এলার্জী সৃষ্টিকারী দ্রব্য বর্জন।
v) ক্যান্সার প্রতিরোধ ও স্বাস্থ্য।
vi) শ্রম শিল্পে ও বিভিন্ন পেশায় নিয়োজিত ব্যক্তিদের স্বাস্থ্যসম্মত পরিবেশ রক্ষা করা।


প্রশ্ন-  রোগের সেকেন্ডারী প্রতিরোধ এর বর্ণনা দাও।
উত্তর : রোগের সেকেন্ডারী প্রতিরোধ- কোন রোগ দেখা দিলে অর্থাৎ সূচনায় রোগ নির্ণয় করিয়া এমনভাবে চিকিৎসা দান করিতে হইবে যাহাতে রোগ আর বৃদ্ধি না পাইতে পারে। ইহার নাম সেকেন্ডারী প্রতিরোধ। এইজন্য ব্যক্তি স্বাস্থ্য পরীক্ষা, রোগের আক্রমণে স্বাধা সৃষ্টি, তথ্য সংগ্রহ এবং রোগের আক্রমণ বন্ধ করিতে। হইবে।


প্রশ্ন-  রোগের টারশিয়ারী প্রতিরোধ এর বর্ণনা দাও।
উত্তর : রোগের টারশিয়ারী প্রতিরোধ- এই স্তরে নিম্নলিখিত ব্যবস্থাগুলি গ্রহণ করিতে হইবে। যথা-
 `i) সামাজিক, পুনর্বাসন: পারিবারিক ও সামাজিক সুস্থতার উপর দেহ মনের
সুস্থতা নির্ভর করে। তাই পারিবারিক ও সামাজিক জীবনে সুস্থতা রক্ষার জন্য প্রত্যেককে চেষ্টা করিতে হইবে।
ii) মেডিকেল পুনর্বাসন: পঙ্গুদের জন্য কৃত্রিম প্রত্যঙ্গ বা সহায়ক সরঞ্জাম, পূর্নগঠনমূলক অস্ত্রোপচার, প্রয়োজনীয় ব্যায়াম শিক্ষা প্রভৃতির ব্যবস্থা করিতে হইবে।
iii) পঙ্গুত্ব দূরীকরণঃ কোন কারণে পঙ্গুত্ব দেখা দিলে উপযুক্ত চিকিৎসা করিয়া রোগের গতিরোধ এবং উপসর্গ প্রতিরোধ করিতে হইবে।
iv) বৃত্তিমূলক পুনর্বাসন: পেশা পরিবর্তন ও উপযুক্ত, পেশা নির্বাচন এবং বিভিন্ন পেশায় নিযুক্ত ব্যক্তিদের কর্মক্ষমতার দিকে লক্ষ্য রাখিয়া কর্মের সময় নির্ধারণ করিতে হইবে।
v) মনস্তাত্বিক পুনর্বাসন: ব্যক্তিগত সম্ভ্রম, মর্যাদা এবং আত্মবিশ্বাস পুনরুদ্বার।


প্রশ্ন-  আইস বার্গ ফেনোমেনা (Ice berge Phenomena) কি?
উত্তর : আইস বার্গ ফেনোমেনা (Ice berge Phenomena) : ইংরেজী Ice berge Phenomena শব্দদ্বয় দ্বারা একটি রূপক সৃষ্টি করিয়া বুঝানো হইয়াছে। Ice berge শব্দটির অর্থ হইল তুষার পর্বত, আর Phenomena শব্দটির অর্থ হইল দৃশ্যমান Ice berge Phenomena of disease বলিতে পানিতে ভাসমান একটি তুষার পর্বতের যে সামান্য অংশ পানির উপর ভাসিয়া থাকে এবং মানুষের নজরে পড়ে তাহা বুঝানো হইয়াছে। তুষার পর্বতের বাকী বৃহৎ অংশটি মানুষের নজরে পড়ে না। মানুষের রোগ ব্যাধি পানিতে ভাসমান বরফের গ্রুপের দৃশ্যের সাথে তুলনা করা যায়। মানুষের বহু রকমের রোগের মধ্যে সকল রোগের সঙ্গে চিকিৎসকদের পরিচয় ঘটে না। সীমিত সংখ্যক রোগ লইয়া তাঁহার চিকিৎসা করিয়া থাকেন। রোগের বৃহৎ অংশের সাথে পরিচয় না ঘটার কারণে উহার চিকিৎসা পদ্ধতি এখন আনাবিষ্কৃত রহিয়াছে। আইস বার্গ ফেনোমেনা বলিতে ইহাই বুঝানো হইয়াছে।


প্রশ্ন-  ইকোলজি (Ecology) কাহাকে বলে?
উত্তর: ইকোলজি (Ecology) : গ্রীক শব্দ Oikos (বাসগৃহ) হইতে এই শব্দের উৎপত্তি। জীব এবং পরিবেশের মধ্যে সম্পর্ক বিষয়ক বিজ্ঞানকে ইকোলজি বলে। ইকোলজির মূল অর্থ হইল সকল কিছুই অন্য সব কিছুর সঙ্গে সম্পর্কিত।
স্বাস্থ্য সম্পর্কিত ইকোলজি বলিতে মানুষ যে পরিবেশে বসবাস করে, সেই বিস্তৃত পরিবেশের প্রভাব তাহার দেহ ও মনের উপর প্রভাব বিস্তার করে এবং পরিবেশের ব্যতিক্রম বা প্রতিকূল অবস্থা মানুষের স্বাস্থ্যের উপর প্রভাব বিস্তার করিয়া মানুষের স্বাস্থ্যহানি ঘটায়। ইকোলজি স্বাস্থ্যের উপর পরিবেশের প্রভাব, প্রতিক্রিয়া ইত্যাদির শিক্ষা ও অধ্যায়নকে নির্দেশ করে।


প্রশ্ন- মহামারী বিদ্যা (Epidemilogy) কাহাকে বলে?
উত্তর : মহামারী বিদ্যা (Epidemilogy) : চিকিৎসা বিজ্ঞানের যে শাখায়
মহামারী রোগের কারণ, বিস্তার প্রণালী ও নিবারণ পদ্ধতি সম্বন্ধে বিস্তারিত আলোচনা, গবেষণা ও পর্যালোচনা করা হয় তাহাকে মহামারী বিদ্যা বলে।


প্রশ্ন- মহামারী বা এপিডেমিক (Epidemic) কাহাকে বলে?
উত্তর : মহামারী বা এপিডেমিক (Epidemic) : কোন সংক্রামক রোগ
যখন কোন এলাকায় অতি অল্প সময়ে বহু লোককে ব্যাপকভাবে আক্রমণ করে তাহাকে মহামারী বলে।


প্রশ্ন-  মহামারী বা এপিডেমিক কি কি কারণে সংঘটিত হয়?
উত্তর : মহামারী বা এপিডেমিকের কারণ- সাধারণতঃ স্থানীয় পানি ও মৃত্তিকার দোষে, বায়ুর দূষিত প্রভাব, যুদ্ধ বিগ্রহ, প্লাবন, দুর্ভিক্ষ প্রভৃতি কারণে মহামারী সংঘটিত হইয়া থাকে।


প্রশ্ন-  মহামারী রোগের বৈশিষ্ট্যসমূহ কি কি?
উত্তর : মহামারী রোগের বৈশিষ্ট্যসমূহ- মহামারী রোগের বৈশিষ্ট্যসমূহ নিম্নরূপ।
i) একই সময়ে ব্যাপকভাবে বহু লোক এবং জনপদ আক্রমণ করে।
ii) এই রোগ হঠাৎ আবির্ভূত হইয়া দ্রুত বৃদ্ধি পাইতে থাকে।
iii) ইহা বায়ুর দূষিত প্রভাব, স্থানীয় পানি ও মৃত্তিকার দোষ, প্লাবন, দুর্ভিক্ষ, যুদ্ধ বিগ্রহ প্রভৃতি কারণে উৎপন্ন হইয়া থাকে।
iv) রোগের ভোগকাল নির্দিষ্ট। নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে রোগের বিকাশ ও পরিণতি ঘটে। হয় রোগী আরোগ্য নতুবা মৃত্যু।
v) ইহাদের কিছু কিছু নাম আছে। যেমন- কলেরা, বসন্ত, হুপিং কাশি, হাম প্রভৃতি। 


প্রশ্ন- মহামারী প্রতিরোধ করিবার জন্য কি কি ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে? 
উত্তর : মহামারী প্রতিরোধ করিবার ব্যবস্থাসমূহ- মহামারী প্রতিরোধের জন্য নিম্নলিখিত ব্যবস্থা গ্রহণ করিতে হইবে। যথা-
i) দেহে রোগ প্রতিরোধের ক্ষমতা উৎপাদনের জন্য টিকা দেওয়ার ব্যবস্থা করিতে হইবে।
ii) রোগ মহামারী আকার ধারণ করিতে পারে বিবেচিত হইলে প্রত্যেক স্বাস্থ্যকর্মী, গ্রামবাসী ও শহরবাসীর উচিত এই ব্যাপারে তাৎক্ষণিকভাবে জনস্বাস্থ্য বিভাগে সংবাদ দেওয়া যাহাতে মহামারী রোগের উপযুক্ত চিকিৎসা ব্যবস্থা গৃহীত হয়।
iii) কোন সংক্রামক পীড়ায় আক্রান্ত রোগীকে রোগের আক্রমণ কাল হইতে সংক্রমণ কাল পর্যন্ত আলাদাভাবে রাখার ব্যবস্থা করিতে হইবে।
iv) রোগীর ব্যবহার্য জিনিষপত্র, বাসনপত্র বিশোধন করিয়া লইতে হইবে।
v) পানীয় জল বিশোধনের ব্যবস্থা করিতে হইবে।
vi) স্বাস্থ্যনীতি সম্বন্ধে জনসাধারণকে জ্ঞাত করাইতে হইবে তাহা হইলে রোগের সংক্রমণ কম হইবে। জনসাধারণকে স্বাস্থ্যনীতি সম্বন্ধে জ্ঞাত করানোর জন্য রেডিও, টেলিভিশন, পোষ্টার, সিনেমা ও বক্তৃতার সাহায্যে স্বাস্থ্য রক্ষার নিয়মকানুন ব্যপকভাবে প্রচার করিতে হইবে।


প্রশ্ন-  কিভাবে মহামারীর পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়?
উত্তর: মহামারী রোগ নিশ্চিত হওয়ার উপায়সমূহ- সাধারণতঃ দুই একটি রোগী দেখিয়া মহামারীর চিত্র বা লক্ষণ স্থির করা যায় না। অনেকগুলি রোগী দেখিলে তবেই তাহার পূর্ণাঙ্গ চিত্র পাওয়া যায়। মহামারী রোগেও অন্যান্য রোগের মত চিকিৎসাক্ষেত্রে লক্ষণ লিপিবদ্ধ করা উচিত। লিপিবদ্ধ করা লক্ষণসমূহ হইতে বিশিষ্ট লক্ষণসমূহ বাছিয়া লইতে সুবিধা হয়। একই কারণ হইতে উৎপন্ন হইলেও রোগীর ধাতু প্রকৃতি অনুসারে রোগচিত্র বিভিন্ন হইয়া থাকে এবং সেজন্য ঔষধের ব্যবস্থা এক হইতে পারে না। মহামারী রোগের ক্ষেত্রেও দেখা যায় যে চির রোগবীজ। 

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন

0 মন্তব্যসমূহ